BAITUL MAMUR JAME MOSQUE & AL-JAMIATUL ISLAMIA MODINATUL ULUM MADRASHA & DARUL AITAM

বায়তুল মা"মুর জামে মসজিদ ও আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া মদিনাতুল উলুম [মাদরাসা] ও এতিমখানা

অখন্ড ভারত স্বাধীন পরবর্তি পাকিসতান প্রতিষ্ঠিত হবার কিছু দিন পর ১৯৬৭ ইং সালে তদান্তিন “স্টেট ব্যাংক অপ পাকিসতান ইমপ্লেইজ কো-অপরেটিভ, ক্রেডিট সোসাইটি লিমিটেড” নামে একটি সমবায় সমিতি গঠন পূর্বক বসবাসের জন্য ঢাকা জেলাধীন সাভার থানায় কিছু জমি ক্রয় করেন এবং তারা সাভার থানার বর্তমান ব্যাংক কলোনী এলাকার ‘এ’ ব্লকে একটি মসজিদের জন্য ২৩ (তেইশ) শতাংশ জমি ওয়াকফ করেন। অত:পর উক্ত সমবায় সমিতির (বর্তমান বাংলাদেশ ব্যাংক সমবায় সমিতি নামে পরিচিত) বরাদ্দ প্রাপ্ত ব্যক্তিগণ ও স্থানীয় জনসাধারণ প্রাথমিক অবস্থায় ছোট একটি টিনের ছাপড়া তৈরি করে তা মসজিদ হিসেবে ব্যবহার করতে থাকেন। বর্তমানে যার প্রস্থ ৫২ ফুট (বারান্দাসহ) দৈর্ঘ্য ৭৪ ফুট। এইভাবেই উক্ত মসজিদে দ্বীনদার মানুষদের ইবাদতের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছিল। তার পর ১৯৮৭ ইং তে এই মসজিদের সাথে দ্বীনির প্রচার-প্রসারকে আর বেগবান করার লক্ষ্যে একটি দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে তৎকালীন কার্যনির্বাহী পরিষদগণের প্রচেষ্টা ও এলাকাবাসীগণের দান ও অনুদানের মাধ্যমে মসজিদ সংলগ্ন আরও ১৭.৫ শতাংশ জমি উক্ত অনুদান হিসাবে পাওয়া যায়। উক্ত ক্রয়কৃত ও অনুদান হিসাবে পাওয়া জমির উপর প্রতিষ্ঠিত হয় “আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া মদিনাতুল উলুম [মাদরাসা]” নামে একটি দ্বীনি প্রতিষ্ঠান। তৎপরবর্তিতে ব্যাংক কলোনী, ‘বি’ ব্লকের কলেজ রোডস্থ আরও ৪ শতাংশ জমি অনুদান হিসাবে পাওয়া যায়। তারপর থেকেই ধীরে ধীরে এই জামি‘আর পথ চলার শুরু হয় এবং বর্তমানে এই জামি‘আ জাতির উজ্জল নক্ষত্র হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। যা ইতিমধ্যেই দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়েছে। বর্তমানে অত্যন্ত সাফল্য ও সুনামের সাথে দাওরায়ে হাদিস বা তাকমিল (স্নাতকোত্তর) ও তাখাসসুস ফিল ফিকহি ওয়াল ইফতা বা উচ্চতর ইসলামি আইন গবেষণা কেন্দ্র পর্যন্ত সুচারুরূপে অভিজ্ঞ শিক্ষকমন্ডলি দ্বারা এ মহান দায়িত্ব পরিচালিত হয়ে আসছে। যারা এই মাদরাসা ও মসজিদের জন্য দান করিয়াছেন, করতেছেন এবং ভবিষ্যতে করবেন আল্লাহ তা‘আলা কিয়ামত পর্যন্ত তাদের উপর শান্তি বর্ষিত করুক। আমিন ইয়া রাব্বাল আলামিন। অখন্ড ভারত স্বাধীন পরবর্তি পাকিসতান প্রতিষ্ঠিত হবার কিছু দিন পর ১৯৬৭ ইং সালে তদান্তিন “স্টেট ব্যাংক অপ পাকিসতান ইমপ্লেইজ কো-অপরেটিভ, ক্রেডিট সোসাইটি লিমিটেড” নামে একটি সমবায় সমিতি গঠন পূর্বক বসবাসের জন্য ঢাকা জেলাধীন সাভার থানায় কিছু জমি ক্রয় করেন এবং তারা সাভার থানার বর্তমান ব্যাংক কলোনী এলাকার ‘এ’ ব্লকে একটি মসজিদের জন্য ২৩ (তেইশ) শতাংশ জমি ওয়াকফ করেন। অত:পর উক্ত সমবায় সমিতির (বর্তমান বাংলাদেশ ব্যাংক সমবায় সমিতি নামে পরিচিত) বরাদ্দ প্রাপ্ত ব্যক্তিগণ ও স্থানীয় জনসাধারণ প্রাথমিক অবস্থায় ছোট একটি টিনের ছাপড়া তৈরি করে তা মসজিদ হিসেবে ব্যবহার করতে থাকেন। বর্তমানে যার প্রস্থ ৫২ ফুট (বারান্দাসহ) দৈর্ঘ্য ৭৪ ফুট। এইভাবেই উক্ত মসজিদে দ্বীনদার মানুষদের ইবাদতের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছিল। তার পর ১৯৮৭ ইং তে এই মসজিদের সাথে দ্বীনির প্রচার-প্রসারকে আর বেগবান করার লক্ষ্যে একটি দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে তৎকালীন কার্যনির্বাহী পরিষদগণের প্রচেষ্টা ও এলাকাবাসীগণের দান ও অনুদানের মাধ্যমে মসজিদ সংলগ্ন আরও ১৭.৫ শতাংশ জমি উক্ত অনুদান হিসাবে পাওয়া যায়। উক্ত ক্রয়কৃত ও অনুদান হিসাবে পাওয়া জমির উপর প্রতিষ্ঠিত হয় “আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া মদিনাতুল উলুম [মাদরাসা]” নামে একটি দ্বীনি প্রতিষ্ঠান। তৎপরবর্তিতে ব্যাংক কলোনী, ‘বি’ ব্লকের কলেজ রোডস্থ আরও ৪ শতাংশ জমি অনুদান হিসাবে পাওয়া যায়। তারপর থেকেই ধীরে ধীরে এই জামি‘আর পথ চলার শুরু হয় এবং বর্তমানে এই জামি‘আ জাতির উজ্জল নক্ষত্র হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। যা ইতিমধ্যেই দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়েছে। বর্তমানে অত্যন্ত সাফল্য ও সুনামের সাথে দাওরায়ে হাদিস বা তাকমিল (স্নাতকোত্তর) ও তাখাসসুস ফিল ফিকহি ওয়াল ইফতা বা উচ্চতর ইসলামি আইন গবেষণা কেন্দ্র পর্যন্ত সুচারুরূপে অভিজ্ঞ শিক্ষকমন্ডলি দ্বারা এ মহান দায়িত্ব পরিচালিত হয়ে আসছে। যারা এই মাদরাসা ও মসজিদের জন্য দান করিয়াছেন, করতেছেন এবং ভবিষ্যতে করবেন আল্লাহ তা‘আলা কিয়ামত পর্যন্ত তাদের উপর শান্তি বর্ষিত করুক। আমিন ইয়া রাব্বাল আলামিন।